বেসরকারি খাতে স্থলবন্দর দেয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল: নৌ প্রতিমন্ত্রী

২০০৭ সালে বিএনপি সরকার দেশের ছয়টি স্থলবন্দরকে বেসরকারি খাতে দিয়েছিল। তাদের এ সিদ্ধান্ত ভুল ছিল বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

 

 

 

তিনি বলেন, ছয়টি স্থলবন্দর বিল অন ট্রান্সফার (বিওটি) পদ্ধতি বা প্রাইভেট কোম্পানিকে অপারেট করতে দেয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। বর্তমানে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বেড়েছে। সেবার মাধ্যমে বন্দরের আয় বৃদ্ধি করা লক্ষ্য হওয়া উচিত। বেনাপোল স্থলবন্দরকে আরও যাত্রীবান্ধব করে তোলা হবে। যাত্রীসেবার সুযোগ সুবিধা ও অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ দেয়া হবে।

 

 

 

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক, আর্থিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সংক্রান্ত বৈঠকে এসব কথা বলে

 

 

প্রতিমন্ত্রী স্থলবন্দরগুলোতে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দেন। গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দরগুলোতে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের বিষয়টি খতিয়ে দেখার পরামর্শ দেন।

বৈঠকে জানানো হয় যে, বেনাপোল ও ভোমরা স্থলবন্দরে ফায়ার হাইড্রেন্ট সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে এবং অন্যান্য বন্দরে অগ্নিনির্বাপণের জন্য ফায়ার এক্সটিনগুইসার চালু রয়েছে।

 

 

 

মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী এবং বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কে এম তারিকুল ইসলাম এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ঘোষিত স্থলবন্দর রয়েছে ২৪টি। এর মধ্যে ১২টি বন্দর চালু রয়েছে। ১২টির মধ্যে বেনাপোল, বুড়িমারী, আখাউড়া, ভোমরা, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এবং সোনামসজিদ, হিলি, বাংলাবান্ধা, টেকনাফ ও বিবিরবাজর স্থলবন্দর বিওটি ভিত্তিতে চালু আছে। বিরল স্থলবন্দর বিওটি ভিত্তিতে দেয়া হলেও এখনো সেটি চালু হয়